[অন্তরা ১]
রাতের নীরবতায় তোমার রঙ ছড়ায়,
চাঁদও লজ্জায় ম্লান হয়ে যায়।
চোখ বুজলেও শুধু তুমি ভেসে আসো,
অন্ধকার আকাশে একমাত্র আলো।
[প্রসঙ্গ]
তোমার নীরবতায় গোপন সুর বেজে যায়,
আমার বুকের ভিতর নিঃশব্দে গুনগুনায়।
[কোরাস]
তুমি আমার শ্বাস, অর্ধেক থেমে থাকা,
পুরো হয় না, ফুরায় না কখনো।
আমি ডুবে গেলে, তুমি সমুদ্র হয়ে যাও,
আমার পৃথিবী শুধু তোমায় চাও।
[অন্তরা ২]
তোমার পদক্ষেপে প্রার্থনার মতো শব্দ,
তুমি কাছে এলে সবকিছু লাগে সম্পূর্ণ।
আমি ভাষায় আটকে যাই, কিছু বলি না,
কেবল চোখে চোখে আমার সব কাহিনি বলা।
[প্রসঙ্গ]
তোমার ছোঁয়ায় বুক ভরে ওঠে,
তবুও খালি লাগে যখন তুমি চুপ থাকো।
[কোরাস]
তুমি আমার শ্বাস, অর্ধেক থেমে থাকা,
পুরো হয় না, ফুরায় না কখনো।
আমি ডুবে গেলে, তুমি সমুদ্র হয়ে যাও,
আমার পৃথিবী শুধু তোমায় চাও।
[ব্রিজ ১ – অন্তরঙ্গ]
দেহ থেকে আত্মা অবধি তুমি লেখা,
আমার সমস্ত প্রার্থনা শুধু তোমায় দেখা।
আমার নীরবতাও তোমার নামের ছবি,
প্রতিটি ধ্বনি তোমার প্রতিচ্ছবি।
[অন্তরা ৩ – স্বীকারোক্তি]
দিনের আলোতেও তোমায় খুঁজে ফিরি,
তুমি থাকলে আমি সম্পূর্ণ বাঁচি।
তোমার স্পর্শে সময় থেমে যায়,
আর আমি শুধু তোমার ভেতরে হারিয়ে যাই।
[প্রসঙ্গ]
তোমার চোখের ভেতর আমি ঘর খুঁজে পাই,
সেখানে আমি হারিয়ে গেলেও বাঁচতে চাই।
[কোরাস – দ্বিগুণ]
তুমি আমার শ্বাস, অর্ধেক থেমে থাকা,
পুরো হয় না, ফুরায় না কখনো।
আমি ডুবে গেলে, তুমি সমুদ্র হয়ে যাও,
আমার পৃথিবী শুধু তোমায় চাও।
তুমি প্রার্থনা, তুমি বিশ্বাস,
তুমি আমার জীবনের একমাত্র প্রকাশ।
আমি নিজেকে হারালেও কিছু যায় আসে না,
তুমি আছো বলেই আমি সম্পূর্ণ।
[অন্তরা ৪ – আকাঙ্ক্ষা]
তোমার কথাগুলো বাতাসের মতো বয়ে যায়,
আমার বুকের শহরে বৃষ্টি হয়ে ঝরে যায়।
তোমার গন্ধে মিশে মাটি গান গায়,
আমার দেহ-আত্মা সব তোমায়ই চায়।
[অন্তরা ৫ – বিরহ]
তুমি না থাকলে সকালও অন্ধকার,
রোদের শহরও মনে হয় বিরানভার।
দুনিয়া থামায়, আমায় আটকায়,
কিন্তু আমি বারবার তোমার দিকেই ছুটে যাই।
[কোরাস]
তুমি আমার শ্বাস, অর্ধেক থেমে থাকা,
পুরো হয় না, ফুরায় না কখনো।
আমি ডুবে গেলে, তুমি সমুদ্র হয়ে যাও,
আমার পৃথিবী শুধু তোমায় চাও।
[ব্রিজ ২ – ফিসফিসে]
তোমার হাতে লেখা আমার নিয়তি,
প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি শ্বাস শুধু তোমার স্মৃতি।
তুমি থেকে দূরে গিয়েও আমি তোমারই রই,
এই প্রেম এক স্রোত যা শেষ হয় না কোনোদিনই।
[অন্তরা ৬ – গজল ধাঁচ]
রক্তের প্রতিটি বিন্দু তোমার নাম ধরে,
চোখের প্রতিটি জল তোমার ছবি গড়ে।
আমি লিখি নিজেকে কেবল তোমার নামে,
আমার দুনিয়া থেমে যায় তোমারই টানে।
[অন্তরা ৭ – শেষ স্বীকারোক্তি]
তোমার মুখে লুকানো সব গোপন আমি পড়ি,
তোমার হাসির আড়ালে ব্যথাও আমি ধরি।
আমি চাই মুক্তি, তবুও ছাড়তে না,
আমার ভেতরে তুমি— আমার ভেতরে ঘর করা।
[প্রসঙ্গ]
তোমার চোখের গভীরে বন্দি থাকতে চাই,
সেই কারাবাসই আমার মুক্তি, আমার ঠিকানা।
[কোরাস – ফাইনাল দ্বিগুণ]
তুমি আমার শ্বাস, অর্ধেক থেমে থাকা,
পুরো হয় না, ফুরায় না কখনো।
আমি ডুবে গেলে, তুমি সমুদ্র হয়ে যাও,
আমার পৃথিবী শুধু তোমায় চাও।
তুমি প্রার্থনা, তুমি আমার দেবতা,
তুমি আমার আত্মার শেষ ব্যাকুলতা।
আমি ভাঙলেও আবার তোমায় গড়ি,
তোমার ভেতরে আমি নিজেরই ছবি।
[আউট্রো – ধীরে মিলিয়ে যাওয়া]
শ্বাস… শ্বাস…
তোমার নামে থেমে যায়।
শ্বাস… শ্বাস…
তুমি ছাড়া বাঁচতে পারি না।
শ্বাস… শ্বাস…
জীবনের চেয়েও গভীর, মৃত্যুর চেয়েও প্রিয়—
তুমি… আমার শেষ শ্বাস।